words per minute
14
user1680283
00:00
Speed
বাড়ির সীমানা ঘেষে বেশ কয়েকটা খেজুর গাছ । তাতে এ সময় প্রচুর রস হয়। মামা খুব সাবধানে কোমরে বাধা টোকাতে ঝুলিয়ে রস ভর্তি মাটির কলসি গুলো এক এক করে নামালেন। ছাকনি দিয়ে ছেকে রস গুলো ঢাললেন একটা বড় গামলায় । গ্লাসে ভরে আমাকে দলেন একগ্লাস কাচা রস। দাত অবশ হযে যাওয়ার মত শীতল কিন্তু অপুর্ব স্বাদ । খেজুর রস খেয়ে আমর শীত যেন দ্বিগুন বেড়ে গেল। আমি ঠকঠক করে কাপতে লাগলাম। মামা আমার অবস্থা দেখে হেসে উঠলেন। গ্রামের পথ ঘাট কুয়াশার চাদরে ঢাকা । আলপথে কৃষক লাঙল কাধে গুরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছে হাল চাষে । কুয়াশার মধ্যে তাদের আবছা চায়ামূর্তি দেখা যায়। যেন কোনো শিল্পীর তুলিতে আকা এক সুন্দর মনোরম ছবি। পূর্বদিকে আবির ছড়িয়ে সূয উঠেছে ডিমের কুসুমের মত। সবুজ ঘসে ছড়ানো শিশিরগুলোকে মুক্তোর মতো লাগছে। খালিপায়ে শিশিরসিক্ত সবুজ ঘাসে হাটতে গিয়ে আমার পায়ের গোড়ালি ভিজে গেল । কিন্তু হিমশিতল শিশিরের সবুজ ঘাসে হাটতে গিয়ে আমার পাযের গোড়লি ভিজে গেল । কিন্তু হিমশীতল শিশিরের স্পর্শ পেযে আমার মন আনন্দে নেচে উঠল । বাড়ি ফেরার সময দেখলাম পুকুরের পানি থেকে ধোয়া উঠছে। উঠোনের এক পাশে তখন রোদ এসেছে। সেখানে পাটি বিছিয়ে নানিজান ভাপা পিঠা আর কাচা রসের পায়েস খেতে দিলেন। শীত সকালের এমন সুখকর অনুভূতি আমি এর আগে আর কখনো পাইনি।