words per minute
19
ronis
00:00
Speed
সম্প্রতি ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যা তৈরিতে অংশ নেয় ব্রিটেন ছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস এবং অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের বিশেষজ্ঞরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, আরও কিছুদিন যুদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় মুখ্য ভূমিকা মানুষেরই থাকবে। কিন্তু রোবটের ক্রমবর্ধমান প্রয়োগ এবং আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার কারণে যুদ্ধের মৌলিক চরিত্র বদলে যাবে। সেই সাথে কমতে থাকবে আবেগ, অনুভূতির গুরুত্ব। ভবিষ্যতে যুদ্ধে মোতায়েনের জন্য জিন অদল-বদল করে, ওষুধ প্রয়োগে বিশেষ ধরনের মানবসেনা তৈরির সম্ভাবনা প্রবল। এসব সৈন্যের শারীরিক এবং মানসিক শক্তি ও বুদ্ধিমত্তা হবে সাধারণ মানুষের চেয়ে বহুগুণ বেশি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধে প্রযুক্তির প্রয়োগ বাড়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের রণাঙ্গনও হবে ব্যতিক্রমী। শত্রুর সামরিক এবং অর্থনৈতিক স্থাপনা হয়ত আর মূল টার্গেট থাকবে না। তখন যুদ্ধের জন্য মহাকাশ, সাইবার জগত কিংবা সাগরের তলদেশের মতো নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে। পারমাণবিক শক্তিধর দেশর সংখ্যা বাড়বে, পারমাণবিক এবং অন্যান্য কৌশলগত অস্ত্র তৈরির জন্য বিনিয়োগ বাড়বে।