words per minute
17
afinkln88
00:00
Speed
রাজা চলবে আপনার ইশারায়। মন্ত্রী হাতি ঘোড়া সেনা সবাই আপনার অধীনে। এবার শুরু যুদ্ধ। যুদ্ধের ময়দানে আপনার বুদ্ধির জোরেই হেরে যাবে প্রতিপক্ষ। এমন একটি ঘটনার মধ্য দিয়ে যেতে কার না ভালো লাগে। এই যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা আর বুদ্ধির মার প্যাচের অনুভূতি সহজেই পাবেন দাবার বোর্ডে। বুদ্ধির এই খেলা নিয়ে বন্ধুদের সাথে পরিবারের সবাই মিলে খুব সহজেই আসর জমিয়ে ফেলা যায়। খেলতে খেলতে মনে যখন একটা চনমনে ভাব চলে আসে তখন মনে হয়, আচ্ছা এই খেলা আবিষ্কার করল কে? শুরুই বা হলো কবে থেকে? কীভাবে? আসুন তাহলে, দাবা খেলা শুরুর গল্পটা জানা যাক।
প্রাচীন এই খেলার ইতিহাস বর্ণময়। প্রায় দেড় হাজার বছর আগে ভারত বর্ষে শুরু হয়েছিল দাবা খেলা। ষষ্ঠ শতাব্দীর আগেই ভারতের উত্তর পশ্চিম অঞ্চলে গুপ্ত সাম্রাজ্যের সময় খেলাটির উৎপত্তি। লোক কথা অনুযায়ী, স্ত্রী মন্দোদরী রাবণকে যুদ্ধ থেকে বিরত রাখার জন্য এই খেলার সূচনা করেন। কিন্তু দাবার মতো এক ধরনের খেলার সন্ধান পাওয়া যায় প্রাচীন মিসরে খ্রিষ্টপূর্ব তিন হাজার অব্দে, সেই খেলার নাম ছিল শতরঞ্জ। তবে ভারতে চতুরঙ্গ নামে দাবা খেলা শুরু হয় ষষ্ঠ শতাব্দীর আগেই, তখনো গুপ্ত সাম্রাজ্য বিরাজমান। সেই সময় দাবাকে চতুরঙ্গ বলার কারণ খেলটিতে হাতি ঘোড়া রথ ও সৈন্য এই চারটি অংশ ছিল।
চতুর শব্দ থেকে এই চতু আগত বলে অনেকে ধারণা করেন, যার অর্থ বুদ্ধিমান। তবে এর গ্রহণ যোগ্য অর্থ হলো চার থেকে চতু এবং দিক থেকে অঙ্গ যোগে চতুরঙ্গ। প্রাচীন কালে দাবার ছিল চারটি অংশ হাতি ঘোড়া রথ ও পদাতিক সৈন্য। সেই থেকেও এই নামের উদ্ভব বলে মনে করা হয়। কিন্তু চতুরঙ্গ খেলাটা দাবা হয়ে পাড়ি দিতে হয়েছে সাত সমুদ্র। লেগেছে অনেক সময়।