words per minute
17
afinkln88
00:00
Speed
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে রাজশাহীর বাবলাবন বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধের ফটক তালাবদ্ধ ছিল। শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাওয়া লোকজন প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকেছেন। এর আগে ২৫ নভেম্বর বাবলাবন গণহত্যা দিবসেও এখানে তালা লাগানো ছিল। সেদিন দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন শহীদদের স্বজন ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর ৩০ ডিসেম্বর রাজশাহী নগরের শ্রীরামপুর এলাকায় পদ্মা নদীর পাড়ে এ বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে একই রশিতে বাঁধা পাওয়া যায় ১৭ শহীদের লাশ। স্থানটি বাবলাবন বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের গবেষকদের তথ্যমতে, পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিজয়ের আগে ২৫ নভেম্বর রাজশাহীর শিক্ষকধ্যভূমিটি দীর্ঘদিন অযত্নে পড়ে ছিল। ১৯৯৫ সালের ২৫ নভেম্বর শহীদদের স্মরণে একটি স্মৃতিফলক বসানো হয়। এর উদ্বোধন করেন শহীদ মীর আবদুল কাইয়ুমের স্ত্রী অধ্যাপক মাসতুরা খানম। সেদিন অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের জন্য এখানকার মাটি সংগ্রহ করে নিয়ে যান। এরপর ২০২০ সালে এ বধ্যভূমিতে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ‘মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ’ প্রকল্পের এ স্মৃতিসৌধের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। বধ্যভূমির জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো)। তবে স্মৃতিসৌধটি এখনো কেউ দেখভাল করেন না।, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের হত্যার পর গণকবর দেওয়া হয় বাবলাবনে।