words per minute
17
afinkln88
00:00
Speed
আজ বুধবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসেও স্মৃতিসৌধের তালা খোলা হয়নি। সকালে জনমানব উন্নয়ন সংস্থা নামের একটি সংগঠনের সদস্যরা প্রধান ফটকটি তালাবদ্ধ দেখেন। এ সময় তাঁরা এটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে কে আছেন, তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন। ফোন করা হয় সিটি করপোরেশনের স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরকেও। কিন্তু তিনিও কিছু জানাতে পারেননি। পরে কাউন্সিলরের পরামর্শে প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ফেলা হয়। এরপর ভেতরে ঢুকে তাঁরা শ্রদ্ধা জানান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনও এ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
রাজশাহীতে ২৫ নভেম্বর বাবলাবন গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়। সেদিনও তালাবদ্ধ ছিল এ বধ্যভূমির প্রধান ফটক। সেদিন যাঁরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়েছিলেন, তাঁদের সীমানাপ্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকতে হয়েছিল। তাঁরাও এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসেও ফটকে তালা থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডির রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. নাশির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা শুধু নির্মাণকাজ করেছিলাম। তারপর এটি জেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের।’
জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ড দেখভাল করে। প্রধান ফটকের চাবি তাঁদের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে এবং ভেতরের স্মৃতিস্তম্ভের চাবি থাকে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে। রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদনের ব্যাপার থাকলে তাঁদের জানিয়ে তাঁরা শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। জাতীয় দিবসের আগের দিনগুলোতে তাঁরা এটি খুলে পরিষ্কার করেন। তিনি আরও বলেন, সব সময় খোলা রাখলে লোকজন এটি নোংরা করে ফেলবে। পবিত্রতা রক্ষার জন্যই তালা দিয়ে রাখা হয়।