words per minute
10
MdArafatuzzaman
00:00
Speed
দুই সপ্তাহ ধরে ভারতীয় জনতা পার্টি রীতিমত আকঙ্কিত বিবিসির একটি তথ্যচিত্র নিয়ে। তথ্যচিত্রে ব্রিটিশ সরকারের এক গোপন প্রতিবেদন উঠে এসেছে,
২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরাসরি ভূমিকা ছিল। ছবিটি ভারতে যাতে কোকভাবেই দেখা না যায় তা সুনিশ্চিত করেছে সরকার। বিষয়টা আশ্চার্যের। কারণ, বিজেপির বড় সমালোচকেরাও এই সময়ে মনে করেন না আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে হিন্দুত্ববাদী দলকে হারানো সম্ভব। একদিকে বিরোধীরা জোটবদ্ধ হতে পারেননি, অন্যদিকে বিজেপিরহাতে রয়েছে প্রভূত ক্ষমতা ও অর্থ। তাহলে সামান্য তথ্যচিত্র নিয়ে এত উদ্বেগ কেন? অনেক কারণ থাকলেও এখানে তিনটির ব্যাখ্যা করা যাক।
প্রথম কারণ, প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুব সুনির্দিষ্টভাবে এটা জানায় না, একজন নেতা কতটা জনপ্রিয়। কিন্তু একটা আন্দাজ দিতে পারে যে একজন নেতার জনপ্রিয়তা বাড়ছে না কুমছে, বিশেষত সমাজের শিক্ষিত অংশের মধ্যে। ১০ বছর আগে টুইটারে নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে কী লেখা হত, তা গবেষণা করলে দেখা যাবে প্রায় ১০০ শতাংশ মন্তব্যই ছিল তার পক্ষে। বর্তমানে সাধারণ মানুষের বড় অংশ মোদির প্রধঅন সেনাপতিদের প্রবল আক্রমণ করছেন।
যেমন তিনি অমিত মালবিয়ার মনন্তব্যে অসংখ্য টুউটার ব্যবহারকারী নিয়মিত কটূক্তি করছেন। মোদিপন্থি এক সম্পাদক সুধীর চৌধুরিকেও তারা লাগাতার আক্রমণ করছেন। এ রকম উধাহরণ অসংখ্য। বিষয়টি সামান্য হলেও বিজেপির জন্য উদ্বেগের। কারণ মধ্যেবিত্তের মতো সামাজিক মাধ্যমে প্রতিফলিত হচ্ছে। তারা ক্রমাগত বলছেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হচ্ছে, চাকরি বাকরি কমছে। এর সঙ্গে এখন যুক্ত হলো শেয়ারবাজারে মোদি ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি গৌতম আদানি পতন এবং সংশ্লিস্ট কেলেঙ্কারি। এ সবই সার্বিক প্রতিষ্ঠান বিরোধীতার হাওয়া জোরালো করছে।