words per minute
5
ArafatRahaman1
00:00
Speed
রপ্তানিকারকদের মতো বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ফ্রিল্যান্সার, কোম্পানি ও অন্যদেরও রপ্তানি প্রত্যাবাসন কোটা সুবিধা চালুর সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এসব নাগরিক ও কোম্পানির বিপরীতে আর্ন্তজাতিক ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ইস্যু এবং তা দিয়ে অনলাইনে প্রয়োজনীয় ব্যায় নির্বাহের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশে বসে বিদেশী মুদ্রা অর্জনকারী নাগরিক ও কোম্পানিগুলো তাদের আয় করা ডলারের একটি অংশ নিজেদের ইআরকিউ হিসাবে জমা রাখতে পারবেন। পাশাপাশি আয় করা ডলার কার্ডের মাধ্যমে খরচ করতে পারবেন।
এতে ফ্রিল্যান্সারদের ভোগান্তি কমবে, বাড়বে সুবিধা। এর ফলে বৈধ্য পথে ডলার আয় বাড়বে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল রোববার এক প্রজ্ঞাপনে এ সুবিধার কথা জানায়। প্রজ্ঞাপনে দেশের ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় এর ৭০ শতাংশ পর্যন্ত দেশে প্রত্যাবাসন না করে নিজেদের হিসাবে রাখতে পারেন। নতুন সুবিধার ফলে এ আয় দিয়ে তাঁরা নিজেদের খরচ মেটাতে পারবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, আইসিটি খাতে নানা রকমের ব্যয় বিদেশে পাঠাতে হয়। কিন্তু ফ্রিল্যান্সারদের নামে ইআরকিউ হিসাব না থাকায় কার্ড-সুবিধার আওতায় তাঁরা বিদেশি খরচ মেটনোর ক্ষেত্রে নিজের আয় করা ডলার ব্যবহার করতে পারেন না। তাছাড়া দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলের কর্মরত ফ্রিল্যান্সারদের এলাকায় ব্যাংকের এডি শাখা না থাকায় ডলার খরচের মতো কার্ডও তাঁরা পাচ্ছেন না। ব্যাংকের এডি শাখা হলো বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের অনুমোদিত শাখা।
এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে, যেসব ব্যাংকের বিদেশী মুদ্রায় অনুমোদিত ডিলার বা এডি শাখা নেই, সে সব ব্যাংকের মাধ্যমে আয় প্রত্যাবসনের ক্ষেত্রে নিকটবর্তী এডি শাখা বা প্রধান কার্যালয়ের সহায়তায় ইকিউআর হিসাব খোলা ও কার্ড দিতে হবে। বিকাশ, রকেটেরে মত মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠোনের মাধ্যমে আয় প্রত্যাবসনের ক্ষেত্রে লেনদেনের সমন্বয় করা ব্যাংককে ইকিউআর হিসাব খোলাসহ আর্ন্তজাতিক কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।