words per minute
10
MR_Briten
00:00
Speed
মার্কিন সংস্থা এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৭ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংককে লক্ষ্য বানিয়ে আসছে হ্যাকাররা। মূলত, রিজার্ভ চুরির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করতে চারটি ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছিল।
প্রামাণ্যচিত্রে এ বিষয়ে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩৬ কর্মকর্তার কাছে একটি ই-মেইল পাঠানো হয়। রাজাল আলম নামের এক ব্যক্তি এসব ই-মেইল পাঠান। তিনি কাজ খুঁজছিলেন, পাঠানো মেইলে যুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) করা হয় একটি জীবনবৃত্তান্ত। বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা মেইলের সেই অ্যাটাচমেন্ট ফাইল খুলেছিলেন। সেটি ছিল একটা জিপ ফাইল। আসলে সেটিই ছিল একটি ম্যালওয়্যার। আর এর মাধ্যমেই নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ে হ্যাকাররা।
এরপরের দৃশ্যপট ফিলিপাইন। ২০১৫ সালের মে মাসে একজন চীনা ব্যক্তি ম্যানিলার রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) চারটি ব্যাংক হিসাব খোলেন ৫০০ ডলার দিয়ে। এই ব্যাংক হিসাব খোলার পর পরের ৯ মাস কিন্তু তারা চুপচাপ বসে থেকেছে। তবে পুরো এক বছর সাইবার চোর বা হ্যাকাররা ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের কম্পিউটারে-কম্পিউটারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কেউই এটা ধরতে পারেননি।