words per minute

15

SNHSabbir


00:00

Speed

শী আর ওমর এসেছে খালুর বাড়িতে। খালু ওদেরকে সবজি ফল বাগান দেখাবেন। খালাতো বোন সীমা আপাও সাথে আছে। বাড়ির পাশের সবজি বাগানের একদিকে আছে লাউ। লাউয়ের মাচায় ঝুলছে লাউ। সবুজ পাতার মাঝে দুলছে সাদা ফুল। শিমের মাচার উপর শিম। শিমের অপরূপ সুন্দর সাদা বেগুনি ফুল। চড়ুই, শালিক মাচার উপর উড়ছে। মাচার পাশের বেগুন ক্ষেতও ফুলে ভরা। টুনটুনি পাখি ফুলের উপর উড়ছে। হলুদ সাদা প্রজাপতি আর লাল ফড়িং উড়াউড়ি করছে। ঐশী আর ওমর যেমন অবাক তেমনি খুশি। খালু বললেন, পাখিরা শস্যদানা কীটপতঙ্গ খায়। অনেক পাখি আবার মধুও ভালবাসে। ওরা দেখল আমগাছের ডালে বড় একটা মৌচাক। খালুর কাছে শুনলো মৌমাছি, পাখি পোকারা গাছের অনেক উপকার করে। আমগাছ দেখিয়ে খালু বললেন, এখন গাছে মুকুল হয়েছে। কিছুদিন পর এগুলো আমের গুটিতে পরিণত হবে। ফল বাগানের কাছে গিয়ে সীমা আপা বলল, গাছ আমাদের অনেক উপকার করে। একটু ভেবে বলতো কীভাবে? ঐশী খুশিতে হাততালি দিল। বলল, আমি জানি আমরা তো গাছ থেকে কত ধরণের খাবার খাই। খড়ি আর কাঠও পাই। খালু বললেন, ঠিক তাই। তবে গাছ আমাদের বেশি উপকার করে অক্সিজেন দিয়ে। অক্সিজেন ছাড়া আমরা বাঁচতে পারি না। ওরা সবাই বাগানের দিকে তাকাল। দেখল, বাতাসে গাছের ডাল দুলছে। পাখি, মৌমাছি উড়ছে ফুলে বসছে। সবাই যেন তাদের কত আপনজন। গনি মিয়া শখ করে কবুতর পোষেন। কবুতর গুলো বাকবাকুম বাকবাকুম করে ডাকে। গনি মিয়ার মেয়ে রিতা। রিতা নবম শ্রেণিতে পড়ে। সে কবুতরগুলো খুব ভালবাসে। সে কবুতরগুলোকে গম মটর খেতে দেয়। কবুতরগুলো খেয়াল খুশিমত উড়াউড়ি করে। ওদের বাসার পাশে রাখাল বাবুদের গরুর খামার।
words per minute
0
wpm
accuracy
0%
Text Practice - Time 452 - English

words per minute