words per minute
20
Bodiul_islam
00:00
Speed
ভুমি জরিপের ক্ষেত্রে অনেকগুলো ধাপ পার হতে হয়। যেমন ট্রাভার্স সার্ভে, কিস্তোয়ার, খানাপুরি, বুঝারত, খানাপুরি কাম বুঝারত, তসকি বা এটেস্টেশন, খসরা রেকর্শ প্রকাশনা। খসড়া প্রকাশনার সময় রেকর্ডে কোন প্রকার ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। খসড়া পাবলিকেশন্স যাকে সংক্ষেপে ডিপি বলা হয়। এ পর্যায়ে রয়েছে। প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৩০ ও ৩১ বিধিতে আপত্তি ও আপিলের সুযোগ রয়েছে। কোনো ভূমি জরিপের প্রকাশিত খসড়া প্রকাশিত খসড়া খতিয়ান সম্পর্কে কারও কোনা আপত্তি বা দাবি থাকলে সরকার নির্ধারিত ১০ টাকার কর্ট ফি দিয়ে আপত্তি দায়ের করা যাবে। এটিই ৩০ বিধির আপত্তি। এই স্তরে সরকারী সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্তা হলেম সংশ্লিষ্ট আপত্তি অফিসার বা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার বা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার। দেওয়ানি কার্যবিধির অনুসরণে এটি একটি বিচারিক কার্যক্রম। পক্ষগণ নিজে অথবা প্রয়োজনে মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে অধস্তন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কাছে পাঠাবেন। এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার নোটিশের মাধ্যমে বাদী-বিবাদী পক্ষকে হাজির করে পক্ষ বিপক্ষের বক্তব্য শুনবেন ও বিশ্লেষণপূর্বক রায় প্রদান করবেন এবং অবশ্যঅই রায় মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করবেন। আপত্তি কেসের রায় দ্বারা কোন পক্ষ সংক্ষুব্ধ হলে তিনি রায় প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে নির্ধ্রিত ফরমে ও নির্ধারিত ফি প্রদান করে সিনিয়র সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কাছে ৩১ বিধিতে আপিল দায়ের করতে পারবেন। আপিল অফিসারের কাছে ৩১ বিধিতে আপিল দায়ের করতে পারেন। আপিল অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ প্রদান করে এবং ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে শুনানীর সুযোগ প্রদান করে আপিল নিষ্পত্তি করবেন। আপিল রায় মোতাবেক প্রয়োজনে খতিয়ান সংশোধন করা হবে।