words per minute
17
belalhossain1
00:00
Speed
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী কাছাকাছি আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতি এখন অনেকটাই নির্বাচনী মোডে (আমেজ) প্রবেশ করেছে। বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি আগামী নির্বাচনে নিরঙ্কুশ না হলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে—এমনটাই অনেকের ধারণা। নির্বাচনে এমন বিজয়ের ভিত্তিতে দলটি এককভাবে একটি সাংবিধানিক সংস্কার প্যাকেজ আনার দাবি করতেও পারে।
তবে এখানে একটি বড় সতর্কতার জায়গা রয়েছে, সংস্কার প্রশ্নে বিএনপির বর্তমান অবস্থান জামায়াতকে অপ্রত্যাশিতভাবে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতে পারে, যা দলটির নিজের জন্যও অস্বস্তিকর। বিপরীতে কিছু কৌশলগত নমনীয়তা বিএনপির জন্য যেমন বাস্তববাদী রাজনীতি হতে পারে, তেমনি দেশের গণতন্ত্রের জন্যও তা হতে পারে ইতিবাচক।
আসুন, যুক্তিটি একটু খোলসা করে দেখি। ধরা যাক, বিএনপি সাংবিধানিক সংস্কারের মূল প্রস্তাবগুলোকে (যেমন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি অনুপাতভিত্তিক–ভোটভিত্তিক নির্বাচিত উচ্চকক্ষ, যা সংবিধান সংশোধনে ভূমিকা রাখতে পারবে এবং সাংবিধানিক ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্বের বাইরে রাখার ব্যবস্থা থাকবে) সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে এবং এমন একটি উচ্চকক্ষের পক্ষে অবস্থান নেয়, যার আসনবিন্যাস নিম্নকক্ষের মতোই।