words per minute
10
TahmidShahriar
00:00
Speed
সততা মানুষের মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ। সত্য কথা বলা, ন্যায় পথে চলা এবং কোনো প্রকার অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকাকেই সততা বলা হয়। সততার মাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিত্ব মহিমান্বিত হয় এবং সমাজে সে সম্মান লাভ করে। যদিও সততার পথে চলা অনেক সময় কঠিন মনে হয়, তবুও দীর্ঘমেয়াদে সততাই মানুষকে প্রকৃত সুখ ও শান্তি দেয়।
ছাত্রজীবনে সততার গুরুত্ব অপরিসীম। পরীক্ষায় নকল না করা, পড়াশোনায় পরিশ্রম করা এবং শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা সততার পরিচয় দেয়। সততা ছাত্রদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য নৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলে। কর্মজীবনেও সততা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। একজন সৎ কর্মচারী দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে, দুর্নীতি থেকে দূরে থাকে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি করে। ফলে সে সহকর্মী ও কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস অর্জন করে।
সমাজজীবনে সততা শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। সৎ মানুষ সমাজের জন্য আদর্শ হয়ে ওঠে এবং অন্যদের সৎ পথে চলতে অনুপ্রাণিত করে। অন্যদিকে অসততা সমাজে অবিশ্বাস, অশান্তি ও অবক্ষয় সৃষ্টি করে।
সময়ানুবর্তিতা মানুষের একটি মহৎ গুণ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা এবং সময়মতো উপস্থিত থাকার অভ্যাসকেই সময়ানুবর্তিতা বলা হয়। যে ব্যক্তি সময়ের মূল্য বোঝে, সে জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে। কারণ সময় একবার চলে গেলে আর ফিরে আসেনা।
ছাত্রজীবনে সময়ানুবর্তিতার গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত সময়ে পড়াশোনা, স্কুলে যাওয়া ও কাজ সম্পন্ন করলে শৃঙ্খলা গড়ে ওঠে ও ফলাফল ভালো হয়। যে ছাত্র সময়ানুবর্তী, সে পরীক্ষার চাপ সহজে সামাল দিতে পারে। কর্মজীবনেও সময়ানুবর্তিতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অফিসে সময়মতো উপস্থিত থাকা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা কর্ম দক্ষতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়। ফলে কর্মক্ষেত্রে সম্মান, বিশ্বাস ও উন্নতির সুযোগ বৃদ্ধি পায়। সমাজজীবনেও সময়ানুবর্তিতা গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। সময়মতো কথা রাখা মানুষের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ায়। অন্যদিকে সময়ের অপচয় অলসতা, ব্যর্থতা ও বিশৃঙ্খলার জন্ম দেয়। সময়ানুবর্তিতা না থাকলে জীবনের লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়ে।
সততা ও সময়ানুবর্তিতা মানুষের চরিত্রের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গুণ। এই দুই গুণ একে অপরের পরিপূরক এবং মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে সাফল্যের মুল চাবিকাঠি। সততা মানুষকে ন্যায় ও সত্যের পথে পরিচালিত করে, আর সময়ানুবর্তিতা শেখায় সময়ের সঠিক ব্যবহার।
ছাত্রজীবনে এই দুই গুণের গুরুত্ব অপরিসীম। সততার মাধ্যমে ছাত্ররা নকল ও অসৎ উপায় পরিহার করে জ্ঞান অর্জন করে এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে সময়ানুবর্তিতা তাদের নিয়মিত পড়াশোনা ও দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে। ফলে তারা ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য নিজেকে যোগ্য করে তুলতে পারে। কর্মজীবনেও সততা ও সময়ানুবর্তিতা সমানভাবে প্রয়োজন।